বাংলাদেশে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ল্যাপটপ। Laptop Under 50000 In Bangladesh

বর্তমানে লেখাপড়া থেকে বিজনেস সবকিছুই বলতে গেলে অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে। অনলাইনে আপনার উপস্থিতি আরো সুন্দর আর গুছানো করে তুলতে পারে একটি ল্যাপটপ। কিন্তু আপনি যদি ল্যাপটপ সম্পর্কে না জেনেই কোন একটা কিনে ফেলেন তাহলে দেখা যাবে বেশি দাম দিয়ে নরমাল মানের ল্যাপটপ কিনে বসে আছেন।

আপনার কম্পিউটার কেনার যাত্রা সহজ করতে আমি এই পোস্টে বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন ১০ টি মিডিয়াম রেঞ্জের ল্যাপটপ আপনাদের সামনে এনেছি। এগুলোর দাম ৫০ হাজারের নিচে।

প্রথমে ল্যাপটপ সম্পর্কে ব্যাসিক কিছু তথ্য জেনে নিন। এই তথ্য গুলো জানা থাকলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন ল্যাপটপের মান কেমন, দাম কেমন হওয়া উচিত, কি কি কাজ করা যাবে কি করা যাবে না ইত্যাদি।

প্রসেসর

আমরা কোন ল্যাপটপ কেনার সময় দেখে থাকি অমুক ব্র্যান্ড এর Intel core i5 এর 8 জেনারেশন ১০ জেনারেশন ইত্যাদি। এটা আসলে প্রসেসর এর ভার্সন।

একই কোরের ল্যাটেস্ট জেনারেশনের প্রসেসর ই ল্যাপটপ এর জন্য ভালো।

অর্থাৎ Core i3 এর 10 Genaration কোর আই ৫ এর ৮ জেনারেশন এর চেয়ে ভালো। যদিও কোরের হিসাবে ৩এর চেয়ে ৫ ল্যাটেস্ট হওয়ার কথা!!

যত ল্যাটেস্ট জেনারেশন নিতে পারবেন তত ভালো। আর এখন মানে ২০২৩ সালে কোর আই ৫ এর ৮ জেনারেশন এর নিচে কোন ল্যাপটপ কেনা উচিৎ না যদি আপনি ভালো মানের কোন কাজ করতে চান তো!

কোর এবং থ্রেড

কোর সংখ্যা ৪ হলে থ্রেড হবে ডাবল মানে ৮ টা। এই কোর কে আপনি একাধিক লেনের হাই ওয়ে ভাবতে পারেন। লেন যদি ৪টা হয় তাহলে একই সময়ে একই সাথে ৪টা গাড়ি পার হতে পারবে। লেন যদি ৮টা হয় তাহলে ৮টা গাড়ি পার হতে পারবে।

ঠিক একই ভাবে আপনার ল্যাপটপ এর কোর যদি ৪টা হয় তাহলে একই সাথে ৪টা কাজ করতে পারবে আর কোর সংখ্যা বেশি হলে আপনি আরো বেশি টাস্ক কমপ্লিট করতে পারবেন। স্মুথলি।

AMD Ryzen 7 সিরিজের অনেক ল্যাপটপে এখন ৮টা কোর ১৬ থ্রেড দেওয়া আছে। মাল্টি টাস্কিং এর জন্য বেশি কোর থাকলে ভালো।

RAM

র‍্যাম কে আপনার ল্যাপটপের প্রান বলতে পারেন। কোর বেশি, ল্যাটেস্ট প্রসেসর কিন্তু র‍্যাম কম বা ভালো র‍্যাম না এমন হলে সেই ল্যাপটপ দিয়ে সুবিধা মত যেমন কাজ করবার কথা তা করতে পারবেন না।

বর্তমানে ৮জিবি র‍্যামের নিচে ল্যাপটপ নেওয়া উচিত না। ১৬ জিবি হলে ভালো।

গ্রাফিক্স কার্ড

আপনি যেহেতু ৫০ হাজার টাকার নিচে ল্যাপটপ কিনতে চাচ্ছেন সেহেতু ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড পাবেন না এই দামে। তবে ইউজড ল্যাপটপ হলে পেতেও পারেন।

২জিবি গ্রাফিক্স কার্ড দিয়েই আপনি মিড লেভেলের কাজ করতে পারবেন। ৪ জিবি হলে ভারি কাজও করতে পারবেন। শেয়ারড গ্রাফিক্সের চেয়ে ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স ভালো। তবে ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স থাকলে দামও বাড়তি হবে।

ডিসপ্লে

IPS or OLED ডিসপ্লে দেখে নিবেন। দেখতে সুন্দর, হাই কোয়ালিটি এবং ল্যাটেস্ট টেকনোলোজি। 50000টাকার কমে টাচ স্ক্রিন না নেওয়া উচিৎ। যদি আপনার কাজের জন্য নিতেই হয় তাহলে সেটা ভিন্ন কথা।

ব্যাটারি

নতুন হলে ৫/৬ ঘণ্টা ব্যাকাপ দিবে এটা নিশ্চিত হয়ে নিবেন। আর যদি ইউজড ল্যাপটপ হয় তাহলে ৩ ঘন্টা বা ৪ ঘন্টা ব্যাকাপ দিলেও এনাফ। 

স্টোরেজ

এখন ল্যাপটপ নিলে হার্ড ডিস্ক না নিয়ে SSD নেওয়া উচিৎ। ২৫৬ জিবি থাকে বেশির ভাগ ল্যাপটপে তবে আমি বলবো ৫১২ জিবি নেওয়া। ২৫৬ জিবি অনেক কম হয়ে যায়। কিছুদিন পরেই নতুন এসএসডি নেওয়া লাগতে পারে!! ( আমি নিজে ভুক্তভোগী!) 

ল্যাপটপ নিয়ে ব্যাসিক তথ্য জানা শেষ। এবার দেখা যাক ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ১০টি ল্যাপটপের লিস্ট। বলে রাখা ভালো এগুলো সব ইউজ করা ল্যাপটপ। তাই কেনার আগে নিজে দেখে শুনে কিনা উচিৎ।

Lenovo ThinkPad X1 Yoga – Intel Core i5 7th Generation

14″ 2k 360° Touch screen display𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬Ram 8Gb 256 GB SSD Intel 4Gb Graphics cardOperating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬BDT :- 37000

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Hp Zbook G5 Intel Core i5, 8th Generation

14” Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 36000 টাকা

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Lenovo ThinkPad X1 Carbon – Intel Core i7, 6th Generation

14″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 35000 টাকা

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Hp Probook 430 G7 _ Intel Core i5 _10th Generation

13.6′ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 45000 টাকা

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Hp Elitebook 840 G6 _ Intel Core i7 __8th Generation

14″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 42500 টাকা

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Hp Elitebook 840 G6_ Intel Core i5 __8th Generation

14″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 36500 টাকা

বাংলাদেশে ল্যাপটপের দাম

Hp Elitebook 830 G5 _ Intel Core i5 __8th Generation

13.6″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
Brand New Condition laptop
BDT :- 33500 টাকা

Hp Elitebook 840 G5 _ Intel Core i5 __8th Generation

14″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
Brand New Condition laptop
BDT :- 36500 টাকা

Hp Probook 430 G7 _ Intel Core i5 __10th Generation

13.3″ Full HD display
𝐁𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲 : 𝐔𝐩 𝐭𝐨 3_5𝐇𝐨𝐮𝐫𝐬
Ram 8Gb _256 GB SSD
Intel 4Gb Graphics card
Operating Systems: 𝗢𝗿𝗶𝗴𝗶𝗻𝗮𝗹 𝗪𝗶𝗻𝗱𝗼𝘄𝘀 𝟭𝟬
BDT :- 46500 টাকা


উপরের সব কয়টি ল্যাপটপ চিটাগং এর আইটি ভ্যালি শপের পেজ থেকে নেওয়া।

তাদের পেজঃ IT Valley


সিপিইউ: আপনার কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক”, প্রসেসরের কার্যক্ষমতার উপর বিশাল প্রভাব রয়েছে, তবে আপনি যা করতে চান তার উপর নির্ভর করে, এমনকি সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল মডেলটি যথেষ্ট ভাল হতে পারে।

Intel 11th Gen CPUs: প্রসেসর চালু করেছে যা পরবর্তী প্রজন্মের ল্যাপটপ গুলিকে শক্তি দেবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, টাইগার লেক — একটি 10-ন্যানোমিটার চিপ — 4.8 গিগাহার্টজ গতির পাশাপাশি থান্ডারবোল্ট 4 সমর্থন সহ উন্নত সমন্বিত Iris Xe গ্রাফিক্স অফার করে৷ নতুন EVO ব্র্যান্ড সেরা ল্যাপটপের জন্য প্যারামিটার সেট করে, যার মধ্যে ন্যূনতম 9 ঘন্টা ব্যাটারি লাইফ রয়েছে।


ইন্টেল কোর i9: ইন্টেল থেকে শীর্ষ-অব-দ্য-লাইন সিপিইউ হিসাবে কোর i7-কে প্রতিস্থাপন করে, কোর i9 প্রসেসর অন্য যেকোনো মোবাইল চিপের চেয়ে দ্রুত কর্মক্ষমতা প্রদান করে। শুধুমাত্র প্রিমিয়াম ল্যাপটপ, ওয়ার্কস্টেশন এবং হাই-এন্ড গেমিং রিগগুলিতে উপলব্ধ, Core i9 CPU গুলি শুধুমাত্র তাদের প্রিমিয়াম মূল্যের মূল্যবান যদি আপনি একজন পাওয়ার ব্যবহারকারী হন যিনি সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন প্রোগ্রাম এবং অ্যাপ ব্যবহার করেন৷


ইন্টেল কোর i7: Core i5 থেকে এক ধাপ উপরে, HQ বা K-এ শেষ হওয়া নম্বর সহ মডেলগুলি উচ্চ ওয়াট ব্যবহার করে এবং চারটি কোর রয়েছে, যা আরও দ্রুত গেমিং এবং উত্পাদনশীলতার জন্য অনুমতি দেয়। এছাড়াও কোর i7 Y সিরিজের চিপ রয়েছে যার শক্তি এবং কর্মক্ষমতা কম। মডেল নম্বরে 10 আছে এমন সিপিইউগুলির দিকে নজর রাখুন কারণ সেগুলি ইন্টেলের সর্বশেষ, 10 তম এবং 11 তম জেনারেশন কোর সিরিজের অংশ এবং আরও ভাল পারফরম্যান্স অফার করে৷


Intel Core i5: আপনি যদি মূল্য এবং কর্মক্ষমতার সেরা সমন্বয় সহ একটি মূলধারার ল্যাপটপ খুঁজছেন, তাহলে একটি Intel Core i5 CPU সহ একটি পান৷ U দিয়ে শেষ হওয়া মডেলগুলি সবচেয়ে সাধারণ। যাদের নামে Y রয়েছে তাদের শক্তি কম এবং তাদের কার্যক্ষমতা আরও খারাপ হয় যখন HQ সহ মডেলগুলি বেশি ওয়াট ব্যবহার করে এবং মোটা গেমিং এবং ওয়ার্কস্টেশন সিস্টেমে উপস্থিত হয়। ইন্টেলের নতুন 11 তম প্রজন্মের টাইগার লেক সিপিইউ-তে রয়েছে চারটি কোর, এবং Wi-Fi 6 সমর্থন, Thunderbolt 4 ইন্টিগ্রেশন এবং আরও ভাল AI সহ বেশ কিছু দরকারী বৈশিষ্ট্য।

Intel Core i3: পারফরম্যান্স Core i5 থেকে মাত্র এক ধাপ নিচে এবং দামও। আপনি যদি সম্ভবত একটি Core i5-এ ধাপে ধাপে যেতে পারেন, আমরা এটি সুপারিশ করি।

Intel Xeon: বড় মোবাইল ওয়ার্কস্টেশনের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ব্যয়বহুল প্রসেসর। আপনি যদি প্রফেশনাল-গ্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং, 3D মডেলিং বা ভিডিও এডিটিং করেন, আপনি একটি Xeon চাইতে পারেন, কিন্তু আপনি ভাল ব্যাটারি লাইফ বা হালকা ল্যাপটপ পাবেন না।


ইন্টেল পেন্টিয়াম / সেলেরন: সাব $400 ল্যাপটপে সাধারণ, এই চিপগুলি সবচেয়ে ধীরগতির কার্যকারিতা অফার করে, তবে আপনার প্রধান কাজগুলি যদি ওয়েব সার্ফিং এবং হালকা নথি সম্পাদনা হয় তবে তা করতে পারে। আপনি যদি একটি Core i3 বা i5 পেতে আরও অর্থ প্রদান করতে পারেন, তাহলে আপনি আরও ভাল হবেন।


ইন্টেল কোর m/core i5/i7 “Y সিরিজ:” কম শক্তি এবং কম তাপ এই প্রসেসরগুলির সাথে
সিস্টেমগুলিকে ফ্যানবিহীন যেতে দেয়৷ পারফরম্যান্স সেলেরনের চেয়ে ভাল, তবে নিয়মিত কোর ইউ সিরিজের নীচে।

স্টোরেজ ড্রাইভ (SSD): আপনার CPU এর গতির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল আপনার স্টোরেজ ড্রাইভের কর্মক্ষমতা। আপনি যদি এটি বহন করতে পারেন এবং এক টন অভ্যন্তরীণ স্টোরেজের প্রয়োজন না হয়, তবে হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে একটি সলিড স্টেট ড্রাইভ (SSD) সহ একটি ল্যাপটপ পান, কারণ আপনি সামগ্রিকভাবে কমপক্ষে তিনগুণ গতি এবং একটি অনেক দ্রুত ল্যাপটপ দেখতে পাবেন। .

এসএসডিগুলির মধ্যে, নতুন PCIe x4 (ওরফে NVME) ইউনিটগুলি প্রথাগত SATA ড্রাইভের তিনগুণ গতি প্রদান করে। সাব-$250 ল্যাপটপগুলি eMMC মেমরি ব্যবহার করে, যা প্রযুক্তিগতভাবে কঠিন-স্টেট কিন্তু একটি যান্ত্রিক হার্ড ড্রাইভের চেয়ে দ্রুত নয়।

ডিসপ্লে: আপনার কাছে যত বেশি পিক্সেল থাকবে, তত বেশি কন্টেন্ট আপনি অন-স্ক্রীনে ফিট করতে পারবেন এবং এটি দেখতে আরও তীক্ষ্ণ হবে। দুঃখজনকভাবে, কিছু বাজেট ল্যাপটপে এখনও 1366 x 768 ডিসপ্লে আছে এবং তাই কিছু ব্যবসায়িক ল্যাপটপও আছে, কিন্তু আপনি যদি এটি সামর্থ্য করতে পারেন, তাহলে আমরা 1920 x 1080 এ চলা প্যানেলের জন্য অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের সুপারিশ করি, যা ফুল HD বা 1080p নামেও পরিচিত।

টাচ স্ক্রিন: আপনি যদি 2-ইন-1-এর পরিবর্তে একটি নিয়মিত ক্ল্যামশেল ল্যাপটপ কিনছেন, আপনি টাচ স্ক্রিন থেকে খুব বেশি সুবিধা পাবেন না এবং আপনি 1 থেকে 2 ঘন্টা কম ব্যাটারি লাইফ পাবেন। 2-in-1s-এ, টাচ স্ক্রিন মানসম্মত হয়।


পোর্ট: ল্যাপটপ বাছাই করার সময় পোর্টের অনুপস্থিতি সাধারণত ডিল-ব্রেকার নয়, অনেকগুলি ডঙ্গল বহন করার পরিবর্তে সিস্টেমে আপনার প্রয়োজনীয় সংযোগগুলি পেতে এটি সহায়ক। বেশিরভাগ মূলধারার ল্যাপটপে ভিডিওর জন্য USB 3.0 পোর্ট এবং HDMI আউট থাকবে। যাইহোক, ক্রমবর্ধমান সংখ্যক ল্যাপটপ ইউএসবি টাইপ-সি বা থান্ডারবোল্ট 3 এবং থান্ডারবোল্ট 4 পোর্ট ব্যবহার করে যা ইউএসবি টাইপ-সি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

টাইপ-সি পাওয়া একটি নির্দিষ্ট প্লাস কারণ আপনি এটি ইউনিভার্সাল চার্জার এবং ডকের সাথে সংযোগ করতে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি অপেক্ষা করতে পারেন, USB 4 দ্রুত স্থানান্তর হার এবং একটি তারের সাথে ডেইজি-চেইন 4K মনিটর করার ক্ষমতা সহ শীঘ্রই আসবে। অন্যান্য দরকারী সংযোগগুলির মধ্যে রয়েছে SD কার্ড স্লট, হেডফোন জ্যাক এবং ইথারনেট পোর্ট (বিশেষত যদি আপনি একজন গেমার হন)।

কানেক্টিভিটি: যেতে যেতে আপনার ল্যাপটপ ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে, 4G LTE বা 5G সমর্থন সহ একটি নোটবুক কেনার কথা বিবেচনা করুন৷ আপনাকে ডেটা সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, তবে এটি আপনাকে রাউটার থেকে দূরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করার অনুমতি দেবে। আপনি যদি সাম্প্রতিকতম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সংযোগের বিকল্পগুলির সাথে একটি ল্যাপটপ চান তবে Wi-Fi 6 সমর্থন সহ একটি খুঁজুন৷ Wi-Fi 6 802.11ac এর চেয়ে বর্ধিত তাত্ত্বিক থ্রুপুট এবং আরও স্থিতিশীল সংযোগ অফার করে।

Scroll to Top