ব্লগ, ব্লগার কি কাকে বলে? ব্লগের ইতিহাস ও এর উপকার অপকার

আমাদের সময়ে ব্লগ একটি পরিচিত শব্দ। যারা জানে যারা জানেনা অনেকেই কাজে ও কাজে ব্লগ তৈরি করে থাকে। কিন্তু আমরা ব্লগ কি কাকে বলে জানিনা কিংবা এর ইতিহাস ও সঠিক ভাবে ব্যবহারের নিয়ম ও অনেকে জানিনা। তাদের জন্য আজকের পোস্ট টি উপকারি হবে আশা করি। 

  1. ব্লগ কি 
  2. ব্লগার কাকে বলে
  3. ব্লগ ও ব্লগারের ইতিহাস
  4. ব্লগ এর ভালো ও খারাপ দিক
  5. বাংলা ভাষায় কিছু দরকারি ব্লগের লিস্ট

ব্লগ কি ব্লগ অর্থ কি

ব্লগ শব্দটি ইংরেজি Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যা এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত 

দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। ইংরেজি Blog শব্দটি Weblog এর সংক্ষিপ্ত রূপ। 

যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন। 

এছাড়াও সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিলান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে। 

সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগাররা তাদের ব্লগ হালনাগাদ করেন।

বেশিরভাগ ব্লগই কোন একটা নির্দিষ্ট বিষয়সম্পর্কিত ধারাবিবরণী বা খবর জানায়। বাকীগুলো ব্যক্তিগত অনলাইন দিনলীপি।  ব্লগ কি জানা হলো। 

ব্লগ এর বাংলা প্রতিশব্দ কি

ইংরেজি শব্দ Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো বাংলায় ব্লগ। আমার মনে হয় যেহেতু এই শব্দটি ইংরেজিতেই নতুন তাই এর সঠিক বাংলা অর্থ নিয়ে এখন কেউ ভাবেনি বা অফিসিয়ালি কিছু বের হয়নি। তবে আমরা ব্লগাররা বলতে পারি ব্লগ হলো ডিজিটাল ডাইরি যেখানে লেখকের লেখাতে পাঠক মন্তব্য করতে পারে একই সাথে অনেক লেখক ও লেখা লিখতে পারে।

ব্লগিং ও ব্লগ এর ইতিহাসঃ

ব্লগের প্রথম যাত্রা শুরু হয় আমেরিকার নাগরিক জন বার্জার এর weblog থেকে। ১৯৯৭ সালের শেষ মাসে তিনি এর শুরু করেন পরে আমেরিকার আরো একজন weblog কে ভেঙ্গে শুধু Blog শব্দটি ব্যাবহার করেন। সেখান থেকেই ব্লগের শুরু। ব্লগ এর ইতিহাস তখন থেকে শুরু। 

ব্লগ ও ব্লগার কি

ব্লগ হইলো ডিজিটাল খাতা। ব্লগে যারা লেখে তাদের বলে ব্লগার। বাংলাদেশে এক সময় ব্লগার শব্দটি কিছু হারামি নাস্তিক এর কারনে পচে গেলেও পরে মানুষ বুঝতে পারছে ব্লগার মানেই নাস্তিক না! মুসলিম ব্লগার ও হতে পারে। 

ব্লগ কত প্রকার ঃ

ব্যবহারের প্রকার অনুযায়ী ব্লগ কে বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায়। যেমন

পার্সোনাল ব্লগঃ কেউ যখন নিজের ব্যক্তিগত ভাবে ব্লগ লিখে তখন সেটা পার্সোনাল ব্লগ।

প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ: আবার কোন কোম্পানি যখন কোম্পানির জন্য ব্লগ করে তখন সেটা কোম্পানির ব্লগ।

নিশ ব্লগ ঃ নির্দিষ্ট করে কোন একটি নিশ বা টপিকের উপর করা ব্লগ। যেমন কিছু ব্লগে শুধু ছবি নিয়েই তৈরি করা হয়। সেটা ছবির ব্লগ। এমন নানা টপিকে নানা ব্লগ করা যায়।

ব্লগ কেনো তৈরি করবেন?


ব্লগ কেনো বানাবেন এর অনেক কারন হতে পারে। আপনি লিখতে পছন্দ করেন সেই লেখা মানুষের কাছে পৌছাতে চান তাহলে ব্লগ করুন।

আপনার ছবি তোলার শখ আপনি ফটো ব্লগ করুন।

আপনি ব্লগিং করা টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে প্রফেশনাল একটা ব্লগ করে লেখালেখি করুন।

অনেক কারনেই ব্লগিং করা জেতে পারে। কে কোন কাজে ব্লগিং করবে সেটা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।

কিভাবে ব্লগ তৈরি করবেন?

আমাদের ব্লগিং নিয়ে এই পোস্ট পড়ুন ঃ ব্লগ তৈরি ও লেখার নিয়ম

আমরা আমাদের এই সাইটে চেষ্টা করছি ব্লগিং নিয়ে A to Z বিষয়ে আলোচনা করার।

সকল বাংলা ব্লগ এর তালিকা ঃ

বিশেষ কথা, এখানে সব ব্লগ এর তালিকা দিচ্ছি না তবে ক্যাটাগরি ভিত্তিক বাংলা ভাষার বেশ কিছু কাজের ব্লগের লিংক দিচ্ছি যেসব ব্লগ থেকে আপনার উপকার হবে বলে মনে করি।

টেক ব্লগ

  1. Jakir.me
  2. Techjaman.com
  3. Dhurr24.com


ইসলামিক ব্লগ

  1. Bibijan.com
  2. QuranerAlo.com
  3. BanglaBookst
  4. LostModesty.Com


অনলাইন ইনকাম ব্লগ

  • Banglafeeds.info
  • TechTune
  • Neil Patel
  • Nshamim.com

ব্লগিং এর খারাপ দিক

কোন কিছু ভুল মানুষের হাতে গেলে সেটার মাধ্যমে অনেক ক্ষতি হতে পারে এটাই স্বাভাবিক। একই ভাবে ব্লগিং প্লাটফর্ম গুলোতেও ভুল মানুষের উপস্থিতির কারনে ব্লগ সম্পর্কে মানুষ ভুল বুঝে। কেন? কারন একই অস্র দিয়ে আর্মি দেশ রক্ষা করলেও সন্ত্রাসী কিন্তু মানুষ খুন করে টাকা ছিনতাই করে!!

একই ভাবে ব্লগ নামক অস্র ইউজ করে অনেক দেশেই অস্থিতিকর পরিবেশ করার চেষ্টা করা হচ্ছে হয়। আমাদের বাংলাদেশেই কম হয়নি।  

একটা ফ্রি তে ব্লগ খুলে যা খুশি তাই বললাম এটা কোন সুস্থ ব্লগারের কাজ না। টিভির মাধ্যমে যেমন ভুল সংবাদ ভুল ভাবে প্রচার করে মানুষের ব্রেন ওয়াশ করা হয় তেমনি অনেক ব্লগের উদ্দেশই থাকে মানুষের ব্রেন ওয়াশ করে কাফের বানানোর, দেশের বিরুদ্ধে নামানোর। 

ব্লগের ভালো দিক। 

blog এর মাধ্যমে আপনি আপনার দিনলিপি প্রকাশ করতে পারেন।

সুন্দর সুন্দর বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা লিখতে পারেন। যেমন কৌশল নামের ব্লগে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সামরিক নীতি ন্যে সুন্দর আলোচনা হয়।

বাংলা ভাষায় এমন ব্লগ কমই আছে। 

কৌশল ব্লগের লিংক ঃ  Koushol

আবার অনেক ইসলামিক ব্লগ আছে যেখানে যুবক জেনারেল পড়ুয়া ভাইয়েরা ইসলাম নিয়ে লিখছে। এতে লাভ কি মাদ্রাসার হুজুরদের অনেকেই জানে না জেনারেল লাইনে পড়া যুবকদের মন মানসিকতা কেমন কিন্তু অন্ধকার থেকে আলো তে যাওয়া ওইসব ভাইয়েরা ইসলাম সম্পর্কে যেমন জানে তেমনি তথাকথিত আধুনিক পোলাপাইন কোন অন্ধকারে আছে সে সম্পর্কেও জানে ফলে পথ খুজে দেওয়া তাদের জন্য  সহজ। সমস্যা বুঝা সহজ তাদের জন্য।

নিচে তেমন একটি ব্লগ দিচ্ছি যেটা

বাংলা ভাষায় পর্ণ এডিক্টেডদের জন্য একমাত্র ব্লগঃ মুক্ত বাতাসের খোজে 

অনেক ইয়াং ভাই আছে যারা পর্ণ আর মাস্তারবেট নামক মাদকে ফেসে গিয়ে হাঁসফাঁস করছে বের হতে পারছে না তাদের জন্য লস্ট মোডেস্টি ব্লগটি বেশ বেশ বেশ কাজের হবে আশা করি। 

উপসংহার ঃ ব্লগ কাকে বলে ব্লগ কি এসব জানলেন । এটাও জানলেন ব্লগের ইতিহাস। এবার আপনারা চাইলে দেশ ও সমাজের উপকারে লাগবে এমন কিছু ব্লগ করতে চাইলে আমাদের ব্লগ রিলেটেড অন্য পোস্ট গুলো পড়তে পারেন।

ব্লগ খোলার নিয়ম , ব্লগ থেকে টাকা ইনকাম করার টিপস সহ অন্য টিপস ও পাবেন।

আপনি কি জানেন যে একটি ব্লগ কি?

যদি আপনি না করেন তবে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। 1994 সালে, যখন ব্লগগুলি শুরু হয়েছিল, একটি ব্লগটি ব্যক্তিগত ডায়েরি ছিল যা লোকেরা অনলাইনে ভাগ করে নেয়। এই অনলাইন জার্নালে, আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে কথা বলতে বা আপনার কাজকর্মগুলির বিষয়ে ভাগ করে নিতে পারেন। তারপরে, লোকেরা অনলাইনে একটি নতুন উপায়ে তথ্য যোগাযোগের সুযোগ দেখেছিল। এভাবেই শুরু হয়েছিল ব্লগিংয়ের সুন্দর জগত।

আজ, 570 মিলিয়ন ব্লগ নেটে আছে । কেবলমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্লগারদের সংখ্যা ২০২০ সালের মধ্যে ৩১.7 মিলিয়ন ব্যবহারকারী পৌঁছে যাবে। 

ব্লগের উদ্দেশ্য কী?

ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ব্লগ শুরু করার অনেকগুলি কারণ এবং ব্যবসায়ের ব্লগিংয়ের জন্য কেবল কয়েকটি মুষ্টিমেয় শক্তিশালী কারণ রয়েছে। 

একটি ব্যবসা হিসাবে, আপনি আপনার পণ্য এবং পরিষেবা ক্রয় চালিয়ে যেতে ভোক্তাদের উপর নির্ভর করেন। একটি নতুন ব্যবসা হিসাবে, আপনি সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে যেতে এবং তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে আপনাকে সহায়তা করতে ব্লগিংয়ের উপর নির্ভর করেন। ব্লগিং ব্যতীত আপনার ওয়েবসাইট অদৃশ্য থাকবে, অন্যদিকে ব্লগ চালানো আপনাকে অনুসন্ধানযোগ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।

তথ্যবহুল এবং আকর্ষক পোস্ট তৈরি করার জন্য আপনি যখন আপনার কুলুঙ্গি জ্ঞান ব্যবহার করেন, এটি আপনার শ্রোতাদের সাথে আস্থা তৈরি করে। দুর্দান্ত ব্লগিং আপনার ব্যবসাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে যা আপনার ব্র্যান্ডটি এখনও তরুণ এবং মোটামুটি অজানা থাকলে এটি বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ ।

ব্লগ কাঠামো

সময়ের সাথে সাথে ব্লগের উপস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে এবং আজকাল ব্লগে বিভিন্ন ধরণের আইটেম এবং উইজেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে বেশিরভাগ ব্লগে এখনও কিছু মানক বৈশিষ্ট্য এবং কাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এখানে সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলি রয়েছে যা একটি সাধারণ ব্লগের অন্তর্ভুক্ত থাকবেঃ

  1. মেনু বা নেভিগেশন বার সহ শিরোনাম।
  2. হাইলাইট বা সর্বশেষ ব্লগ পোস্ট সহ প্রধান সামগ্রীর ক্ষেত্র।
  3. সামাজিক প্রোফাইল, পছন্দসই সামগ্রী, বা কল-টু-অ্যাকশন সহ সাইডবার।
  4. অস্বীকৃতি, গোপনীয়তা নীতি, যোগাযোগের পৃষ্ঠা ইত্যাদির মতো প্রাসঙ্গিক লিঙ্কযুক্ত 

উপরের উদাহরণটি গড় ব্লগের প্রাথমিক কাঠামো। প্রতিটি আইটেমের নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে এবং আপনার ব্লগটি দর্শনার্থীদের নেভিগেট করতে সহায়তা করে। 

ব্লগ এবং ওয়েবসাইট এর পার্থক্য 

অনেক মানুষ এখনও ভাবছেন যে কোনও ব্লগ এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে কোনও পার্থক্য রয়েছে কিনা। একটি ব্লগ কী এবং একটি ওয়েবসাইট কী? আজ দুজনের মধ্যে পার্থক্য করা আরও চ্যালেঞ্জিং। অনেক সংস্থাগুলি তাদের ওয়েবসাইটে ব্লগগুলি সংহত করছে, যা আরও দুটি গুলিয়ে দেয়।

ওয়েবসাইটগুলি থেকে ব্লগের পার্থক্য কী?

ব্লগগুলির ঘন ঘন আপডেটের প্রয়োজন। এর ভাল উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে একটি খাদ্য ব্লগ ভাগ করে নেওয়ার খাবারের রেসিপি বা কোনও সংস্থা তাদের শিল্পের সংবাদ সম্পর্কে লেখা।

ব্লগিং কি?

2000 এর দশকের গোড়ার দিকে, বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক ব্লগের জন্মের সময় ব্লগিং বিভিন্ন রূপে আত্মপ্রকাশ করেছিল। কীভাবে ম্যানুয়ালগুলি সহ ব্লগগুলি প্রদর্শিত হতে শুরু করে। প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলি সাংবাদিকতা এবং ব্লগিংয়ের মধ্যে পার্থক্যটি নোট করতে শুরু করে।

ব্লগিং সংজ্ঞা

ব্লগিং দক্ষতার একটি সংগ্রহ যা একটি ব্লগ চালাতে এবং তদারকি করতে প্রয়োজন। এটি ইন্টারনেটে লিখন , পোস্টিং, লিঙ্কিং এবং ভাগ করে নেওয়ার প্রক্রিয়াটিকে সরঞ্জামগুলির সাথে একটি ওয়েব পৃষ্ঠাকে সজ্জিত করে।

ব্লগিং এত জনপ্রিয় কেন?

এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে ব্লগিংয়ের জনপ্রিয়তা প্রতিটি প্রতিটি দিনকে সাথে বাড়ছে!

‘ব্লগিং কী’ এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমাদের এর উত্থানের পেছনের কারণগুলি লক্ষ্য করা উচিত।

কে একজন ব্লগার?

সাম্প্রতিক সময়ে, ব্লগাররা বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। ব্লগিং অনেকের জন্য বিকল্প ক্যারিয়ার বা সাইড গিগ হয়ে উঠেছে। এটি আরও বেশি দেখে লোকেরা ব্লগিংয়ের তালিকায় যোগ দিতে বেছে নিচ্ছেন।তাহলে ব্লগাররা কারা? ব্লগাররা এমন ব্যক্তি যারা আপনার জীবনের অংশগুলি আপনার সাথে ভাগ করে নিতে পছন্দ করে। তারা আর্টস, বাড়ির নকশা, কাঠের কাজ, এবং অর্থ নিবন্ধগুলি থেকে বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট করে। ব্লগাররা মোবাইল এবং এক জায়গায় থাকার দরকার নেই। তারা ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়ায়।

ব্লগাররা কি বেতন পাচ্ছেন?

আমাদের ব্লগিং ইন্ডাস্ট্রি জরিপটি প্রমাণ করে যে ব্লগাররা অর্থ উপার্জন করে তবে এটি একটি ধনী-দ্রুত ধরণের পেশা নয়। আপনি আপনার ব্লগকে নগদীকরণ শুরু করার আগে আপনার Google SERPs র্যাঙ্কিং এবং আপনার কুলঙ্গি প্রভাব উভয়ই তৈরি করতে হবে। এই কাজগুলিতে অনেক সময় এবং মানসম্পন্ন সামগ্রী লাগে। আপনি ক্ষেত্রের কিছুটা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত অর্থোপার্জনের সুযোগগুলি সেগুলি উপস্থাপন করবে না। সুতরাং, ব্যবসায় নেমে যাও।

আপনার নিজের একটি ব্লগ শুরু করতে চান?

আপনার নিজস্ব ব্যক্তিগত ব্লগ তৈরি করতে কয়েক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রথমত, আপনাকে নিজের ব্লগের একটি নাম স্থির করতে হবে, এটি একটি ডোমেন নামও বলে। তারপরে, আপনার প্রয়োজনের জন্য আপনাকে সেরা ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম চয়ন করতে হবে। আমরা একটি স্ব-হোস্টেড প্ল্যাটফর্মের সাথে যাওয়ার পরামর্শ দিই। স্ব-হোস্টেড প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রে এটিতে কয়েকটি পছন্দ রয়েছে তবে সর্বাধিক জনপ্রিয় হ’ল ওয়ার্ডপ্রেস.আর  ব্লগার। 

পরবর্তী পদক্ষেপটি একটি ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা চয়ন করা । নতুন ব্লগারদের জন্য, আমরা ব্লুহোস্ট নামে একটি সংস্থাকে দৃড় ভাবে সুপারিশ করছি যা বিশ্বজুড়ে 2 মিলিয়ন ওয়েবসাইটের উপর ক্ষমতা রাখে। আপনি যখন তাদের সাথে সাইন আপ করবেন তখন আপনি একটি ফ্রি ডোমেন নাম পাবেন এবং যদি আপনি তাদের পরিষেবাদি পছন্দ না করেন তবে তারা 30 দিনের মানি-ফেরতের গ্যারান্টি দেয় ।

Leave a Comment

Copy link
Powered by Social Snap